
ছবি: সংগৃহীত
চট্টগ্রামের বাকলিয়া থানা এলাকায় সংঘটিত দুইজনকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার তিন দিন পর নিহত মোহাম্মদ মানিকের মা ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় চট্টগ্রামের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদ ও তার স্ত্রী শারমিনকে হুকুমের আসামি করা হয়েছে।
এছাড়া হাছান, মোবারক হোসেন ইমন, খোরশেদ, রায়হান ও বোরহানের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামা আরও ৬-৭ জনকেও আসামি করা হয়েছে।
গত ২৯ মার্চ দিবাগত রাত সোয়া ২টার দিকে চট্টগ্রামের এক্সেস রোড এলাকায় একদল দুর্বৃত্ত একটি প্রাইভেটকার লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে মোহাম্মদ মানিক ও আবদুল্লাহ নিহত হন। আহত হন আরও দুইজন, যারা বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ছোট সাজ্জাদ ও সারোয়ার হোসেন বাবলার মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহত মানিক সারোয়ার হোসেন বাবলার গাড়িচালক ছিলেন, আর নিহত আবদুল্লাহ তার ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে কাজ করতেন।
সেদিন রাত ২টার দিকে নতুন ব্রিজ এলাকা থেকে বহদ্দারহাটের দিকে যাচ্ছিলেন তারা। রাজাখালী ব্রিজের কাছে ৬-৭টি মোটরসাইকেল থেকে গুলি চালানো হয় তাদের গাড়ির ওপর। প্রাণ বাঁচাতে তারা বাকলিয়া এক্সেস রোড হয়ে চকবাজারের দিকে ছুটে যান। তবে নবাব সিরাজউদ্দৌলা সড়কে পৌঁছামাত্র আবারও হামলার শিকার হন।
বাকলিয়া থানার ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন জানিয়েছেন, "সাতজনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।"
বাংলাবার্তা/এমএইচ