
ছবি: সংগৃহীত
বলিউড তারকাদের জীবন জৌলুসে ভরপুর মনে হলেও, বাস্তবে তারা নানা সংকট ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হন। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে অনেকেই জ্যোতিষের পরামর্শ নেন। ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় কেউ রত্নপাথর পরেন, কেউ আবার পূজা-অর্চনায় মনোনিবেশ করেন।
সালমান খান, যিনি বলিউডের ভাইজান নামে পরিচিত, বরাবরই জ্যোতিষে বিশ্বাসী। সিনেমা মুক্তির দিন নির্ধারণ থেকে শুরু করে ব্যক্তিগত নানা বিষয়ে তিনি জ্যোতিষের শরণাপন্ন হন। তার পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও ভাগ্য গণনায় আস্থা রাখেন।
অন্যদিকে, বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চনও জ্যোতিষবিদ্যার প্রতি আগ্রহী। সিনেমা মুক্তির আগে কিংবা ব্যক্তিগত জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় তিনি জ্যোতিষের পরামর্শ নেন। তার বিশ্বাস, গ্রহ-নক্ষত্র মানুষের জীবনে গভীর প্রভাব ফেলে।
বলিউডের অন্যতম সফল প্রযোজক একতা কাপুর জ্যোতিষে এতটাই বিশ্বাসী যে, এক সময় তার সব ধারাবাহিকের নামের প্রথম অক্ষর ‘ক’ রাখা হতো। তার মতে, এই অক্ষর তার জন্য শুভ এবং সাফল্যের প্রতীক।
অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতও ভাগ্য গণনায় আস্থা রাখেন। নিজের সাফল্যের পেছনে তিনি জ্যোতিষীদের পরামর্শকেও কৃতিত্ব দেন।
অন্যদিকে, অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি বিশ্বাস করেন, জীবনে ভারসাম্য বজায় রাখতে জ্যোতিষের পরামর্শ অত্যন্ত কার্যকর।
তবে, বলিউড হার্টথ্রব রণবীর কাপুর এ বিষয়ে প্রকাশ্যে কথা বলেন না। তবে গোপনে তিনি জ্যোতিষবিদ্যার প্রতি আগ্রহী এবং ব্যক্তিগত ও পেশাদার জীবনে এর সাহায্য নেন।
বলিউডের গ্ল্যামারাস দুনিয়ার আড়ালে তারকারা ভাগ্যের ওপর কতটা নির্ভরশীল, তা তাদের এই বিশ্বাস থেকেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
বাংলাবার্তা/এমএইচ