
ছবি: সংগৃহীত
মিশর গাজার যুদ্ধবিরতি চুক্তি পুনরুদ্ধারের জন্য একটি নতুন প্রস্তাব উত্থাপন করেছে, যা সমর্থন করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস। তবে, ইসরাইল এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রস্তাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
নতুন প্রস্তাবের মূল বিষয়বস্তু
মিশরের প্রস্তাবে বলা হয়েছে, হামাস প্রতি সপ্তাহে পাঁচজন ইসরাইলি বন্দিকে মুক্তি দেবে, এবং প্রথম সপ্তাহের পর ইসরাইল যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ কার্যকর করবে। এই প্রস্তাবটি মূলত একটি সময়সূচি নির্ধারণ করে, যার মাধ্যমে গাজার ইসরাইলি বাহিনীর পুরোপুরি প্রত্যাহারের বিনিময়ে সমস্ত বন্দির মুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। মিশরীয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্র গ্যারান্টি দেবে।
ইসরাইলের প্রতিক্রিয়া এখনো অজ্ঞাত
যদিও যুক্তরাষ্ট্র এবং হামাস ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে, তবে ইসরাইলের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য আসেনি। হামাসের দাবি, ইসরাইল জানুয়ারির যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে, তবে তারা আলোচনা চালিয়ে যেতে প্রস্তুত রয়েছে। এসময়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের প্রস্তাব পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
গাজায় হামলা অব্যাহত, মৃতের সংখ্যা বেড়ে চলেছে
এদিকে, গাজায় ইসরাইলি বাহিনীর হামলা অব্যাহত রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৬১ জন ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরাইলি বাহিনী, যার মধ্যে দুই সাংবাদিকও রয়েছেন। এছাড়া, ১৩৪ জন ফিলিস্তিনি আহত হয়েছেন। এর মধ্যে কিছু আহতের অবস্থা গুরুতর বলে জানানো হয়েছে।
গাজার পরিস্থিতি পরবর্তী সময়ে কী হবে?
মিশরের প্রস্তাব কার্যকর হলে গাজার যুদ্ধের পরবর্তী পরিস্থিতি নির্ধারিত হতে পারে। তবে, ইসরাইলের প্রতিক্রিয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বব্যাপী এই যুদ্ধবিরতির পরিকল্পনা নিয়ে নানা আলোচনা চলছে, এবং বিশেষভাবে ইসরাইলের সিদ্ধান্তের দিকে চোখ রাখা হচ্ছে।
প্রতিবেদন: রয়টার্স
বাংলাবার্তা/এমএইচ