
ছবি: সংগৃহীত
গাজায় ইসরাইলি হামলা আরও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় দখলদার বাহিনীর হামলায় নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ১১২ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গাজার বিভিন্ন স্থানে চালানো এই হামলায় স্কুল ও আশ্রয়কেন্দ্রেও মিসাইল নিক্ষেপ করা হয়েছে, যেখানে যুদ্ধ থেকে বাঁচতে হাজারো মানুষ আশ্রয় নিয়েছিলেন।
বৃহস্পতিবার গাজা সিটির তুফ্ফা এলাকায় অবস্থিত একটি স্কুলে ইসরাইল চারটি মিসাইল ছোড়ে। এতে অন্তত ২৯ জন নিহত হন এবং শতাধিক আহত হন। গাজার জরুরি উদ্ধারকারী সংস্থার এক মুখপাত্র এই হামলাকে গণহত্যা হিসেবে আখ্যা দিয়ে বলেন, "এটি শুধু হত্যাযজ্ঞ নয়, এটি ইসরাইলি উন্মত্ততা। তারা নারী ও শিশুদের হত্যার জন্য উন্মাদ হয়ে উঠেছে।"
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, চলমান ইসরাইলি আগ্রাসনে এখন পর্যন্ত প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার ফিলিস্তিনি জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। ইসরাইলি বাহিনীর হামলায় ১৫ জন চিকিৎসাকর্মী ও জরুরি সেবাকর্মী নিহত হয়েছেন, যা যুদ্ধাপরাধের শামিল বলে দাবি করেছে প্যালেস্টাইন রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি।
আল আহলি-আরব হাসপাতালের জরুরি বিভাগে আহত শতাধিক ব্যক্তিকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে উদ্ধারকারী সংস্থার মুখপাত্র বলেন, "এখনই বিশ্বকে জেগে উঠতে হবে, এই গণহত্যা বন্ধ করতে হবে।"
বাংলাবার্তা/এমএইচ