
সংগৃহীত
নারী ও শিশু নির্যাতন আইন সংশোধনীসহ বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে উপদেষ্টা পরিষদ। বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
নারী ও শিশু নির্যাতন আইন সংশোধনী পাস
বৈঠকে নারী ও শিশু নির্যাতন আইন সংশোধনীর প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়, যা শিগগিরই কার্যকর হবে। সংশোধিত আইনের মাধ্যমে নির্যাতনের শিকার নারীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা আরও সহজ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতা বৃদ্ধির উদ্যোগ
সরকারি ক্রয় প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনতে এবং সিন্ডিকেট ভাঙতে পাবলিক প্রকিউরমেন্ট অধ্যাদেশের সংশোধনী আনা হয়েছে। এতে—
প্রাক্কলিত মূল্যের ১০ শতাংশের কম হলে টেন্ডার বাতিলের নিয়মটি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
পূর্বের কাজের মূল্যায়নের জন্য যে ম্যাট্রিক্স ছিল, তা পরিবর্তন করে নতুন সক্ষমতা ম্যাট্রিক্স চালু করা হবে। এর ফলে একই প্রতিষ্ঠান বারবার কাজ পাওয়ার সুযোগ পাবে না, প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ তৈরি হবে।
বর্তমানে ৬৫ শতাংশ দরপত্র অনলাইনে গ্রহণ করা হয়, যা ১০০ শতাংশে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
পরিত্যক্ত বাড়ির নামজারি সংক্রান্ত আইনে সংশোধনী
পরিত্যক্ত বাড়ি বরাদ্দপ্রাপ্তরা এতদিন নিজ নামে নামজারি করতে পারতেন না। আইনের সংশোধনের মাধ্যমে এখন তারা সহজেই নামজারি করতে পারবেন।
ঈদের ছুটি একদিন বাড়ানো হলো
পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য ৩ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) নির্বাহী আদেশে অতিরিক্ত একদিন ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এর ফলে সরকারি কর্মচারীরা এবার টানা ৯ দিন ছুটি পাবেন।
পার্বত্য চট্টগ্রামের জনগোষ্ঠীর জন্য ঐচ্ছিক ছুটি
পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর সামাজিক ও ঐতিহ্যবাহী দিবসগুলোতে ঐচ্ছিক ছুটি ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিয়েছে উপদেষ্টা পরিষদ। এতে পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য আরও ভালোভাবে পালন করতে পারবেন।
সিদ্ধান্তগুলোর প্রভাব
এই সংশোধনীগুলো বাস্তবায়িত হলে সরকারি ক্রয়ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আসবে, নারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত হবে, পার্বত্য জনগোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক অধিকার আরও সুসংহত হবে এবং সরকারি চাকরিজীবীরা উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ উদযাপন করতে পারবেন।
বাংলাবার্তা/এমএইচ