
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের প্রেস উইং 'নিউইয়র্ক টাইমস' পত্রিকার একটি প্রতিবেদনকে 'মিসলিডিং' এবং বিভ্রান্তিকর হিসেবে চিহ্নিত করেছে। সম্প্রতি প্রকাশিত 'নতুন বাংলাদেশ গঠনের সুযোগ নিচ্ছে ইসলামি কট্টরপন্থীরা' শীর্ষক প্রতিবেদনটিতে বাংলাদেশে ধর্মীয় চরমপন্থার উত্থান ঘটতে পারে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে দাবি করা হয় যে, অধ্যাপক ইউনূস চরমপন্থী শক্তির বিরুদ্ধে যথেষ্ট কঠোর অবস্থান নেননি, যা তার বিরুদ্ধে একটি ভুল ধারণা তৈরি করে। তবে, প্রেস উইংয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, প্রতিবেদনটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে অবমূল্যায়ন করে এবং বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্যে বাছাইকৃত কিছু ঘটনার ওপর ফোকাস করা হয়েছে।
বিশেষ করে, প্রধান উপদেষ্টার জীবনভর নারীর ক্ষমতায়ন এবং স্বাধীনতার প্রতি তার অঙ্গীকারের কথাও তুলে ধরা হয়। ‘যুব উৎসব ২০২৫’ উদযাপন এবং নারী-মেয়েদের ব্যাপক অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের নারী সমাজের অগ্রগতির বিষয়টি অবহেলা করা হয়েছে বলেও মন্তব্য করা হয়েছে।
এছাড়া, ধর্মীয় সহিংসতা সম্পর্কে ভুল ধারণা সংশোধন করে প্রেস উইং জানিয়েছে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সাম্প্রদায়িক সহিংসতার মধ্যে পার্থক্য করা জরুরি। চরমপন্থী শক্তির বিরুদ্ধে বাংলাদেশের আইন প্রয়োগ এবং সামাজিক সংস্কারের পদক্ষেপগুলোও স্পষ্ট করা হয়েছে।
এদিকে, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মঞ্চে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং দেশের অগ্রগতি ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা অব্যাহত রেখেছে। প্রেস উইং থেকে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ থাকা সত্ত্বেও, এটি সহনশীলতা, গণতন্ত্র এবং নারীর ক্ষমতায়নের প্রতি তার অঙ্গীকার অব্যাহত রাখবে।
বাংলাবার্তা/এমএইচ