
ছবি: সংগৃহীত
বর্তমান বিশ্বে মানুষের মানসিক স্বাস্থ্য একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। জীবনযাত্রার জটিলতা, ব্যস্ততা এবং প্রতিযোগিতার এই যুগে অধিকাংশ মানুষ মানসিক চাপ ও উদ্বেগে ভুগছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, স্বাস্থ্য বলতে শুধুমাত্র শারীরিক সুস্থতাই নয়, বরং মানসিক ও আধ্যাত্মিক সুস্থতাকেও বোঝানো হয়।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানসিক প্রশান্তির অন্যতম প্রধান উপায় হচ্ছে ধর্মীয় অনুশীলন এবং স্রষ্টার প্রতি নির্ভরতা। ইসলামী দৃষ্টিভঙ্গিতে হতাশা কোনো অপশন নয়, বরং জীবনসংগ্রামে আশাবাদ এবং আল্লাহর রহমতের ওপর ভরসাই একজন মানুষকে সুস্থ ও স্থিতিশীল রাখতে পারে।
প্রখ্যাত দার্শনিক উইলিয়াম জেমস একবার বলেছিলেন, “দুশ্চিন্তার সবচেয়ে বড় চিকিৎসা ধর্মবিশ্বাস।” এই কথাটি আজও প্রাসঙ্গিক। মসজিদ, গির্জা, মন্দির কিংবা উপাসনালয়গুলো মানুষের আত্মিক প্রশান্তির কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে। বিশেষ করে জুমার খুতবায় ইমামগণ নিয়মিতভাবে সমাজে নৈতিকতা ও আত্মিক উন্নতির ডাক দিয়ে থাকেন।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ব্যক্তি জীবনে আত্মসমালোচনার চর্চা, পরকালের জবাবদিহিতা ও তাকওয়ার অনুভবই মানসিক প্রশান্তির বাস্তব রূপরেখা দিতে পারে। রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক পর্যায়েও এ ধরনের দৃষ্টিভঙ্গির চর্চা হলে অবিচার ও অনাচারের মাত্রা কমে এসে আলোকিত সমাজ বিনির্মাণ সম্ভব হবে।
বাংলাবার্তা/এমএইচ